বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ১০:২৭ অপরাহ্ন

পেকুয়ায় প্রভাবশালী প্রভাবে দিশেহারা মৎস্যচাষীরা

Reporter Name
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৯ জুন, ২০২১
  • ০ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক;

কক্সবাজারের পেকুয়ায় প্রভাবশালীদের বেপরোয়া প্রভাবে দিশেহারা উপজেলা মগনামার বাইন্যঘোনা এলাকার সাধারণ মৎস্যচাষীরা। প্রবাহমান রুকুর খালে বাঁধ দিয়ে পানি নিঃষ্কাশনে প্রতিবন্ধতা তৈরি করে টাকা দাবী করতেছে অসহায় মৎস্যচাষীদের কাছ থেকে। এমন অভিযোগে বুধবার (০৯ জুন) সাধারণ মৎস্য চাষীরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরে। অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, খালের উপর বাঁধ দিয়ে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করায় প্রায় ২০লাখ টাকার চিংডি পোনা মারা যায় মৎস্য চাষীদের। তারা আরো বলেন, এ মৎস্য চাষ করতে গিয়ে কৃষি ব্যাংকসহ বিভিন্ন অর্থলগ্নি প্রতিষ্টান হতে ঋণ গ্রহণ করেছেন।

বিপুল পরিমাণ ক্ষতির আশংকায় মৎস্য চাষী নুরুল আজিম, নুরুল ইসলাম, বখতিয়ার উদ্দিন ও জাফর আলম বলেন, পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বেংখল ঘোনাটির মৎস্য প্রজেক্টের কাজ শুরু করেছিল আবু ছৈয়দ, মোস্তাক, মকছুদসহ বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী। ইতোমধ্যে জয়নালকে তারা নির্মমভাবে হত্যা করলে এলাকা ছাড়া হওয়ার পর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমানের নাম দিয়ে ও আওয়ামী লীগনেতা রাশেদুল ইসলামের সহযোগিতায় মৎস্য ঘেরটি মমতাজ ও রোকনসহ আরো বেশ কয়েকজন ব্যক্তি দখল করে নেয়। ওই প্রজেক্টের পাশে রুকুর খাল সংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন মালিক থেকে চাষীরা ১শ একরের প্রজেক্ট নিয়ে চাষ শুরু করেন। তাদের পানি নিস্কাশনের একমাত্র ব্যবস্থা রয়েছে বেংখল ঘোনার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রবাহমান খালটি। প্রবাহমান রুকুর খালটি মগনামা লঞ্চঘাটের স্লোইচ গেইটে দিয়ে পানি নিঃষ্কাশন হইত। খালের উপর নির্মিত ৪টি নাসি বন্ধ করে দেন মমতাজ ও রুকন নামে ব্যক্তিরা। যার কারণে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় তাদের ব্যাপক ক্ষতির দিকে পতিত হচ্ছে।তাদের এ অবৈধ কাজের প্রতিবাদ করায় মারধরসহ জানে মেরে ফেলার প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। এমনকি এলাকার সাধারণ মৎস্যচাষীদের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করার জন্য প্রতিনিয়ত গভীর রাতে ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে রুকন ও মমতাজসহ তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা। এতে সাধারণ চাষীরাসহ এলাকাবাসীদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ত্বরিৎ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে প্রাণহানির মত ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয়দের অভিমত।

ভুক্তভোগীরা তাদের অপুরণীয় ক্ষতি থেকে বাঁচতে জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

 

  • সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মীর মোকাদ্দেস হোসাইন 
  • বার্তা সম্পাদকঃ এম.এ.কে রানা
 
উপকূল বার্তা ২৪.কম এ প্রকাশিত/ প্রচারিত সংবাদ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ ।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমন্ত্রনালয়ের নিয়ম মেনে নিবন্ধনের আবেদন চলমান
Design And Development :: Sky Host BD